অপহরণ নয়,অভিযোগ পত্রে লিখতে হবে ‘নিখোঁজ’তবেই এফআইআর নেওয়া হবে। অপহৃত ছাত্রীর পরিবারকে এমনই পরামর্শ দিয়ে ,অভিযোগ না নিয়ে থানা থেকে ফিরিয়ে দিল পুলিশ। প্রত্যন্ত কোন গ্রামের থানা নয়। পুলিশের সদর দপ্তর থেকে মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দুরে মালদা থানার ঘটনা। অবশেষে অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার করার আর্জি জানিয়ে পুলিশ সুপারের দারস্থ হয়েছেন ছাত্রীর পরিবার। মালদা থানার পুলিশের ভুমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ছাত্রীর পরিবার। যদিও এমন ঘটনা নিয়ে পুলিশ সুপার কোন মন্তব্য করতে চায় নি।
গৌড় মহাবিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্রী ৪৮ ঘন্টার বেশী সময় ধরে নিখোঁজ। মালদা থানার পোঁপরা গ্রামের বাসিন্দা এই ছাত্রী। ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ সন্ধ্যেবেলা পোঁপরা মোড়ে কলম কিনতে গিয়ে গায়েব হয়ে গেছে তাদের আদুরে মেয়ে। স্থানীয়দের কাছ থেকে জানতে পেরেছেন মেগু মন্ডল নামে এলাকার এক দুষ্কৃতি ও তার দলবল ছাত্রীটিকে নজরদারি করছিল বেশ কিছুদিন থেকে। ওই ছেলেরা অপহরণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছে ছাত্রীর পরিবার। এরপরই মালদা থানার পুলিশের কাছে অপহরণের অভিযোগ নিয়ে দারস্থ হয় পরিবার। কিন্তু মালদা থানার পুলিশ কর্তারা অপহরণের পরিবর্তে এফআইআরে ‘নিখোঁজ’ শব্দ লেখার পরামর্শ দেন। নচেৎ অভিযোগ গ্রহন করা হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। ছাত্রীর পরিবারের আরো অভিযোগ বছর দুয়েক আগে এই মেগু মন্ডল ও তার দলবল এলাকার এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে অপহরণ করে গণ ধর্ষণ করার অভিযোগ অভিযুক্ত। বর্তমানে জামিনে ছাড়া পেয়ে গ্রামে ফিরেছে। তারই এই দুষ্কর্ম অনুমান করে পুলিশের কাছে অভিযোগ করলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা না নিয়ে ফিরিয়ে দিয়েছেন পরিবারকে। স্বাভাবিকভাবেই মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন মেয়ের পরিবার। তাদের বক্তব্য মেয়ে নিখোঁজের পর থেকেই অভিযুক্ত মেগু মন্ডল ও তার দলবলও গ্রাম থেকে বেপাত্তা। ফলে এমনই সন্দেহ তাদের।
পুলিশের এমন ভুমিকা নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন জেলার এপিডিআর। তাদের দাবী পুলিশ তদন্ত না করে ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগকে মিসলিড করতে পারে না। পুলিশের এমন অবহেলায় ছাত্রীর ক্ষতি হলে তার দায় পুলিশের। এলাকার দুষ্কৃতিদের সাথে পুলিশের যোগসূত্র রয়েছে এমন ঘটনা তারই প্রমান করে।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে
https://www.youtube.com/embed/cDSYcF8sil8